Header Ads Widget

ভূতের বাড়ির আসল সত্য

অন্ধকার ঘরের রহস্য

অন্ধকার ঘরের রহস্য

গ্রামের এক পাশে ছিল একটি পুরোনো ভাঙা বাড়ি। সবাই বলত, সেখানে নাকি ভূত থাকে। সন্ধ্যার পর কেউ ওই বাড়ির কাছে যেত না।

একদিন ছোট্ট ছেলে রাহাত তার বন্ধু মিঠুকে বলল,
— “চলো দেখি সত্যিই ভূত আছে কি না!”

দুজন হাতে টর্চ নিয়ে বাড়িটার দিকে গেল। চারপাশে ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দ, ঠান্ডা বাতাস আর কেমন ভয় ভয় পরিবেশ।

হঠাৎ ভাঙা জানালা থেকে “ধপ!” করে শব্দ হলো। মিঠু ভয়ে কাঁপতে লাগল।
— “রাহাত, চল ফিরে যাই!”

কিন্তু রাহাত সাহস করে ভেতরে ঢুকল। ঘরের ভেতর ছিল ধুলো আর জাল। ঠিক তখন উপরের ঘর থেকে অদ্ভুত শব্দ এলো—
“হুঁউউ...”

দুজন ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠল। টর্চের আলো ফেলতেই তারা দেখল সাদা কাপড় পরা একটা লম্বা ছায়া দাঁড়িয়ে আছে!

মিঠু চিৎকার করে চোখ বন্ধ করে ফেলল। কিন্তু রাহাত একটু এগিয়ে গিয়ে দেখল— ওটা আসলে একটা পুরোনো কাপড়, বাতাসে নড়ছে। আর পাশেই ছিল একটা কালো বিড়াল, যেটা শব্দ করছিল।

দুজনেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। তখন রাহাত হেসে বলল,
— “দেখেছ! সব ভয়ের জিনিসই ভূত না।”

পরদিন তারা গ্রামের সবাইকে সত্যিটা বলল। এরপর থেকে কেউ আর বাড়িটাকে ভূতের বাড়ি বলত না।

গল্পের শিক্ষা:

অযথা ভয় না পেয়ে সত্যটা জানার চেষ্টা করা উচিত।

Post a Comment

0 Comments